দিনাজপুর মেডিকেলে সামনে নবজাতক সহ চিরকুট লিখে এক মা: আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম, দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
দিনাজপুর মেডিকেলে সামনে নবজাতক সহ চিরকুট লিখে এক মা: আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম, দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন

মোঃ শাহিন ইসলাম

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পঞ্চম তলায় শিশু ওয়ার্ডের বেডে এক নবজাতক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন স্বজনেরা।
নবজাতকের বিছানার পাশে একটি বাজারের ব্যাগে চিরকুট পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা জানাজানি হলে শিশুটিকে দত্তক নিতে হাসপাতালে অনেকেই ভিড় করছেন।

দিনাজপুর মেডিকেলে সামনে নবজাতক সহ চিরকুট লিখে এক মা: আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম, দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন
দিনাজপুর মেডিকেলে সামনে নবজাতক সহ চিরকুট লিখে এক মা: আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম, দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন

নবজাতকটি বর্তমানে হাসপাতালের পেডিয়ার্টিক ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছে। সে শারীরিকভাবে সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

নবজাতকের মায়ের রেখে যাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি মুসলিম। আমি একজন হতোভাগি। পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম। দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন। বাচ্চার জন্মতারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৫ (মঙ্গলবার)। এগুলো সব বাচ্চার ওষুধ।

আজ বিকেলে হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক গোলাম আহাদ বলেন, পঞ্চাশোর্ধ্ব এক দম্পতি গতকাল সন্ধ্যায় শিশুটিকে নিয়ে এসে ভর্তি করতে বলেন। নিজেদের পরিচয় দেন শিশুটির নানা-নানী হিসেবে। তিনি শিশুটির মায়ের খোঁজ করলে তাঁরা বলেন, মা নিচে আছেন। তিনি মাকে নিয়ে আসতে বললে বাচ্চাসহ ওই দম্পতি বেড়িয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর শিশু ওয়ার্ডের বাইরে একটি বেডে বাচ্চাটিকে একা থাকতে দেখে অন্যরা বিষয়টি জানান। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির মা ও স্বজনদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শিশুটির বিছানায় একটি বাজারের ব্যাগে কিছু ওষুধ, ডায়াপার ও জামাকাপড় পাওয়া গেছে।
ইন্টার্ন চিকিৎসক গোলাম আহাদ আরও বলেন, স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের যে সময়কাল, তার আগেই বাচ্চাটির জন্ম হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে। ফটোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্মারে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, একটি ব্যাগে ভরে বাচ্চাটিকে হাসপাতাল পর্যন্ত এনেছেন তার স্বজনেরা। এরই মধ্যে অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নিতে হাসপাতালে যোগাযোগ করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময় শিশুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ