কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীতা পেলেন শরীফুল আলম, এলাকায় উচ্ছ্বাস

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন

 

আবিদ হাসান

কুলিয়ারচর প্রতিনিধি

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

তার মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। তারা ইতোমধ্যেই ভৈরব ও কুলিয়ারচর জুড়ে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছেন এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভোট প্রার্থনা করছেন।

এই আসনটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার পর থেকে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান পাঁচবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে তার ছেলে নাজমুল হাসান পাপন প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই সময়েও শরীফুল আলম বিএনপি’র প্রার্থী ছিলেন এবং এরপর তিনবার পাপনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও পরাজিত হন।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ২০০৯ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ না থাকায় শরীফুল আলম পরাজিত হন। তিনি ২০০৬ সাল থেকে দলের মনোনয়ন পেয়ে নিয়মিতভাবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এবং দীর্ঘ দুই দশক ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার শরীফুল আলমের বিপক্ষে বিএনপির ভেতরে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই এবং দলীয় কোন্দলও নেই। গত ১৫ বছরে তার বিরুদ্ধে ৮৫টি মামলা দায়ের হয়েছে, তিনি একাধিকবার কারাভোগ করেছেন। তবুও তিনি সংগঠন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

বর্তমানে শরীফুল আলম ভৈরব এলাকায় প্রচার শুরু করেছেন, কারণ ভৈরব অংশে ভোটার সংখ্যা বেশি। তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের ভোটারদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

ভৈরব উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “শরীফুল আলম কেন্দ্রীয় নেতা। মামলার পরও তিনি জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। দলে কোনো বিভেদ নেই—তাই আমরা বিশ্বাস করি, এবারের নির্বাচনে বিজয় আমাদের।”

একইভাবে কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নুরুল মিল্লাতও শরীফুল আলমের বিজয় নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় থাকা এবং জনপ্রিয়তার কারণে শরীফুল আলম আসন্ন নির্বাচনে ভৈরব-কুলিয়ারচর আসনে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা দিচ্ছেন।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ