মো. জাকির হোসেন
বেনাপোল প্রতিনিধি।
দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।
বেনাপোলে সৃজনশিখা’র উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সৃজনশিখার এই উদ্যোগে পৌরসভার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও উপস্থিত উপস্থাপনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার (২৩ আগষ্ট) সকাল ১০টার সময় বেনাপোলের পৌর বিয়েবাড়ী কমিউনিটি সেন্টারে উক্ত প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ‘সৃজনশিখা’র প্রতিষ্ঠাতা মো.নাজমুল হুসাইন জয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধণ করেন-ডা.কাজী নাজিব হাসান, নির্বাহী অফিসার,শার্শা উপজেলা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো.নুরুজ্জামান লিটন উপদেষ্টা, সৃজনশিখা।
বিশেষ অতিথিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
মো. আক্তারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক-বেনাপোল পৌর বিএনপি
মো: মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব ও উপদেষ্টা-সৃজনশিখা। মফিজুর রহমান বাবু, যুগ্ন-আহবায়ক, যুবদল,শার্শা উপজেলা।
মীর আলম, যুগ্ম-আহবায়ক,পৌর যুবদল।
মো. সহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক-হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫
মাকসুদুর রহমান মিন্টু, সভাপতি-হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৮৯১
মোহাইমিনুল সাগর, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক, বেনাপোল পৌর যুবদল।
মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ আহবায়ক-বেনাপোল পৌর ছাত্রদল।
জিল্লুর রহমান, সদস্য-যশোর জেলা ছাত্রদল।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মো. জাকির হোসেন, সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। সাবরিনা মমতাজ সহ লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজের বিশেষ ব্যাক্তিবর্গগণ। এসময় স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের আগমনে উৎসব মূখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুণ ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগীতার শুভ উদ্বোধণ ঘোষনা করেন সংগঠনের সভাপতি সহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
এসময় উদ্বোধক ডা. কাজী নাজিব হাসান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই বিপ্লবে শহীদদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না। ইতিহাসের এই গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়কে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। জুলাই যেন বিস্মৃত না হয়, সেজন্য সমাজের প্রতিটি মানুষকে সজাগ থাকার আহবান জানান।
প্রধান অতিথি বক্তৃতায়, মো. নুরুজ্জামান লিটন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কাদের হাতে থাকবে, তা গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের বর্ণনা লিখে রাখা যেমন জরুরি, তেমনি শাসনব্যবস্থার ওপর নজরদারিও প্রয়োজন। সেখানে ভরসার জায়গা হচ্ছে আজকের তরুণেরা। তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শিখতে হবে, সন্ধ্যার পর কোন স্কুল শিক্ষার্থী যেন বাড়ীর বাইরে না যায় সেদিকে অভিভাবকদের কঠোর নজরদারীতে রাখার আহবান জানান।
প্রতিযোগিতায় পৃথক তিনটি গ্রুপ থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটি’র সার্বিক সহযোগীতা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশে যারা ছিলেন-হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫,হ্যান্ডলিং শ্রমিক, ইউনিয়ন-৮৯১,
তানজীর মহসিন অংকন-সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী। মো. আব্দুস সামাদ, আজিম এন্টারপ্রাইজ। মো. আজগর আলী, জেসিয়া এটারপ্রাইজ, বিট। মো. মিলন হোসেন, সাংবাদিক-এশিয়ান টিভি ও দৈনিক দিনকাল।
মো. রিপন হোসেন-রিপন এন্টারপ্রাইজ।
মো. ইউনুছ আলী-এস.টি কর্পোরেশন।
মো. মশিয়ার রহমান-ব্রাদার্স বিজনেস হাউস।
মো. সোহাগ আলী-হায়দার এন্টারপ্রাইজ।
মো. আব্দুল আজিজ-আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডার, বেনাপোল বাজার। শ্রী উৎপল কুমার ঘোষ-সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারী।
অনুষ্ঠানটি’র সঞ্চালনায় ছিলেন-মোহসিন হোসেন হৃদয় (উপদেষ্টা,সৃজনশিখা)







