বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত সকল কমিটি স্থগিত

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজেস্ব প্রতিবেদন

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া সারা দেশের সব কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা করেছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ।

সংবাদ সম্মেলনে রিফাত রশিদ বলেছেন, সারা দেশে আমরা দেখতে পাচ্ছি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারকে ব্যবহার করে নামে বেনামে অনেক ধরনের অপকর্ম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন রাজনৈতিক শেল্টারে বা তাঁরা বিপথগামী হয়ে চাঁদাবাজি, দুর্নীতিতে জড়িয়েছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি বাদে সব কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করছি। অর্গানোগ্রামের (সাংগঠনিক কাঠামো) সিদ্ধান্তে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত সারা দেশের সকল কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। এর পর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিচয়ে কেউ অপকর্ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।
বৈষম্যবিরোধী ব্যানারকে কলুষিত করার জন্য পরাজিত শক্তিরা নানাভাবে এ প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে। যারা অনৈতিক কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান তিনি।
আজকের পর থেকে বৈষম্যবিরোধীর ব্যানার ব্যবহার করে কোনো ধরনের অপকর্ম করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রিফাত রশিদ।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে সাবেক একজন সংসদ সদস্যের বাসায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন (মুন্না)সহ তিন নেতা এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের এক নেতাসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার হওয়ার পরদিন এই সিদ্ধান্ত জানাল সংগঠনটি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির ছাড়া সকল কমিটির স্থগিতের ঘটনাটি  ইতিবাচক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।

এদিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয় সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে লিখছেন “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত সকল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে” সেই পোস্টে কমেন্টসে তিনি আরও লিখেন
“কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সারাদেশের সকল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। কোনো অফিসে, কোনো বাসায়, কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে কেউ চাঁদাবাজি, তদবির, মামলা বাণিজ্য করতে গেলে ধরে সোজা পুলিশে দিবেন”

 

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ