ডেস্ক নিউজ
দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।
“সংসদে ফিরছেন রুমিন ফারহানা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র লড়াইয়ে জয়ী। “মাওলানা জুনায়েদকে আল হাবিবকে হারিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার জয়জয়কার”
“সকলকে আঙ্গুল দেখিয়ে বিজয়ের হাঁসি নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা,,

“অদম্য ইচ্ছা শক্তি ও গভীর মনোবল নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে হার না মানা এক নারী যোদ্ধা রুমিন ফারহানা,,
হাঁস প্রতীক নিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে হাঁসি উজ্জ্বল চেহেরায় হেঁসে হেঁসে প্রচারণা চালিয়েছিলেন সর্বদা, সর্বশেষ বিজয়ের হাঁসি ও হাঁসলেন “
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একাংশ) আসনে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনী ফলাফলের সারসংক্ষেপ:
তিনি হাঁস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
এ আসনে ১৫১টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আবুবকর সরকার।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিজয়ী হওয়ার পর জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পর রুমিন ফারহানা তার নির্বাচনী এলাকার (সরাইল ও আশুগঞ্জ) ভোটারদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি: নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “আপনারা একদিনের জন্য আমার সাথে থাকেন, আর আমি আগামী পাঁচ বছর আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব”। জয়ের পর তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
উৎসবমুখর পরিবেশের স্বীকৃতি: ভোট প্রদানের পরপরই তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, অনেক বছর পর মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
হাঁস প্রতীক ও সমৃদ্ধি: তার নির্বাচনী প্রতীক ‘হাঁস’-কে তিনি সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এই প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জয়ের খবরের পর তার সমর্থকরা সরাইল ও আশুগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ এবং আনন্দ-উল্লাস করে বিজয় উদযাপন করেন।







