ভারীবৃষ্টিতে ডুবছে বেনাপোল স্থলবন্দর, ক্ষতিরমুখে ব্যবসায়ীরা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদন

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাতভর ভারী বৃষ্টি পাতে ডুবছে বেনাপোল স্থলবন্দর।
খোলামাঠে পানিতে ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য। সরজমিনে দেখা যায় বেনাপোল স্থলবন্দরের  বিভিন্ন শেডের কানায় কানায় পানি উঠে গেছে। পচনশীল সহ আমদানিকৃত ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যের ব্যাপক মজুদ থাকে এই স্থানে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন,  আশেপাশের খালবিল গুলো দখলদারদের দখল বাজির কারণে সরুহয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন ধীরগতিতে হচ্ছে। খালবিল  গুলো দখলে চলে জামাই সেখানে স্থাপনা গড়ে ওঠে  ফলে পানি নিষ্কাশনের ন্যূনতম জাইগাটিও অবশিষ্ট নেই তাই বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে সময় লাগছে।
এদিকে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা জন্য ছয় সদস্য বিশিষ্ট ১টি কার্যনির্ভর পানি নিষ্কাশন কর্ম সংগঠন  গঠন করা হয়, তাতেও কোন সমাধান আসেনি, তাদের বক্তব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ীভাবে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, নাহলে এই পানি নিষ্কাশন সম্ভব নয়।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী জানান, একটু বৃষ্টি হলেই বেনাপোল স্থল বন্দরের বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে আমার সাধারণ শ্রমিকরা কাজ করতে পারছি না, সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। আর এক দুইদিন বৃষ্টি হলে শেডের ভিতরে পানি ঢোকার সম্ভাবনা আছে I যদি শেডের ভিতরে বৃষ্টির পানি ঢুকে যায় তাহলে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার শিল্পের কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাবে।
বেনাপোল স্থলবন্দর উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ মামুন কবীর তরফদার জানান, স্থায়ীভাবে সমাধান করতে হলে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে,তাছাড়া সম্ভব নয়। তাই সকলেই যার যার প্রতিষ্ঠান থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিবেন যেমন রেলওয়ে তাদের নিজস্ব তদারকিতে পানি নিষ্কাশন করবে, সাথে কাস্টমস তারাও তাদের মত পানি নিষ্কাশন করবে এবং স্থায়ী কোনো প্রকল্প না হলে এই পানি নিষ্কাশনের সঠিক সমাধান হওয়া সম্ভব নয়। এছাড়াও, গত ৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে বেনাপোল পৌরসভা, কাস্টম হাউস ও বন্দর এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে একটি ছয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন কাস্টম হাউস, স্থলবন্দর, রেলওয়ে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ ও নির্বাহী প্রকৌশলী। সকলেরই মন্তব্য বেনাপোল বন্দরের এই পানি নিষ্কাশনে জন্য স্থায়ী সমাধান দরকার। এভাবে প্রতি বর্ষার মৌসুমী জলাবদ্ধতার কারণে আমদানিকৃত পণ্য ভিজে  লোকসান হতে থাকলে এক সময় ব্যবসায়ীরা সর্বস্বান্ত হয়ে যাবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ