অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

সংবাদদাতাঃ এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

চট্টগ্রামে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড ইমনকে একটি অস্ত্র মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩০ জুলাই(বৃহস্পতিবার) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন—ঢাকার মতিঝিলের মো. শামীম (২৮), রাউজানের মো. মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছ (৪৯), ঢাকার শ্যামপুরের আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর মো. সাফায়েত হোসেন (২৪)।
পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই এজাহারভুক্ত আসামি ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ও অস্ত্রের মজুদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। ধামা ইলিয়াছের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ মোট ২১টি মামলা রয়েছে।
রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশ। ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা অস্ত্রের ঘটনায় নতুন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ফটিকছড়ি থানায় দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলায় ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
জেলা পুলিশ সুপার বলেন, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ ও গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ