ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানার বিশাল জয়: ‘হাঁস’ প্রতীকের বাজিমাত!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

ডেস্ক নিউজ

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

“সংসদে ফিরছেন রুমিন ফারহানা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র লড়াইয়ে জয়ী। “মাওলানা জুনায়েদকে আল হাবিবকে হারিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার জয়জয়কার”
“সকলকে আঙ্গুল দেখিয়ে বিজয়ের হাঁসি নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা,,

১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরেও সেই দিনটি তার পক্ষে চ্যালেঞ্জ কর করছিল
১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরেও সেই দিনটি তার পক্ষে চ্যালেঞ্জ কর করছিল

“অদম্য ইচ্ছা শক্তি ও গভীর মনোবল নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে হার না মানা এক নারী যোদ্ধা রুমিন ফারহানা,,
হাঁস প্রতীক নিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে হাঁসি উজ্জ্বল চেহেরায় হেঁসে হেঁসে প্রচারণা চালিয়েছিলেন সর্বদা, সর্বশেষ বিজয়ের হাঁসি ও হাঁসলেন “

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একাংশ) আসনে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

হাঁস প্রতীকে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ফুলের মালা দিয়ে সম্বর্ধনা
হাঁস প্রতীকে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ফুলের মালা দিয়ে সম্বর্ধনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনী ফলাফলের সারসংক্ষেপ:
তিনি হাঁস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
এ আসনে ১৫১টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আবুবকর সরকার।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিজয়ী হওয়ার পর জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পর রুমিন ফারহানা তার নির্বাচনী এলাকার (সরাইল ও আশুগঞ্জ) ভোটারদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি: নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “আপনারা একদিনের জন্য আমার সাথে থাকেন, আর আমি আগামী পাঁচ বছর আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব”। জয়ের পর তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

উৎসবমুখর পরিবেশের স্বীকৃতি: ভোট প্রদানের পরপরই তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, অনেক বছর পর মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

হাঁস প্রতীক ও সমৃদ্ধি: তার নির্বাচনী প্রতীক ‘হাঁস’-কে তিনি সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এই প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জয়ের খবরের পর তার সমর্থকরা সরাইল ও আশুগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ এবং আনন্দ-উল্লাস করে বিজয় উদযাপন করেন।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ