১০ লক্ষ কর্মী আগমনের প্রত্যাশা নিয়ে জামাতের  জাতীয় সমাবেশ শুরু, বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে নেতাকর্মীর ঢল

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদন।

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাউয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সমাবেশ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা দুই পর্বে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথম বর্গ সকাল ৯ঃ৪০ থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত, মাঝে জোহরের নামাজের বিরতি রয়েছে। দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে দুপুর ২ টা থেকে।
সকালের অধিবেশনে ইতিমধ্যে চলছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৪০মিনিটে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জাতীয় সমাবেশের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছেন সাইফুল্লাহ মানসুর।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন– সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠী। এছাড়া নহদনগর ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ নিবেন।
সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই ঢল নামে জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের। দেশব্যাপী নানা জেলা থেকে ট্রেন, বাস ও লঞ্চযোগে দলবদ্ধভাবে রাজধানীতে প্রবেশ করে তারা। মিছিলসহকারে নেতাকর্মীরা দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সম্বলিত টি-শার্ট, পাঞ্জাবি পরে ও ব্যানার হাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হন। অনেকেই উদ্যানে প্রবেশ না পেরে বাইরে অবস্থান নিচ্ছেন। সমাবেশস্থল ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভোর থেকে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন প্রায় ২০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। হাইকোর্ট, মৎস্যভবন, শাহবাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পটে তারা দায়িত্ব পালন করছেন। একই ধরনের পোশাক পরে কর্মীরা আগতদের গেট নির্দেশনা ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।
সমাবেশের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে দুপুর ২টায়। এ সমাবেশের সভাপতিত্ব করছেন দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। জাতীয় সমাবেশ ঘিরে সাত দফা দাবি তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যথাঃ-
১. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে অবাধ নির্বাচন।
২. সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।
৩. সব গণহত্যার বিচার, মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন।
৪. জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র কার্যকর করা।
৫. জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার পুনর্বাসন।
৬. সংখ্যানুপাতিক (পিআর) নির্বাচনী পদ্ধতি চালু।
৭. এক কোটিরও বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ।
দলের ইতিহাসে এটি প্রথমবারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত একক জাতীয় সমাবেশ, যা দলীয় মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে ঐতিহাসিক সংহতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।উল্লেখ্য,  সমাবেশ গিরে জামাত ইসলামের বাংলাদেশ গত কয়েকদিন বাংলাদেশের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে। সেই সুবাদে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে নেতা কর্মী ইতিমধ্যে দলে দলে ব্যানার, ফেস্টুন, নিয়ে ঝড় হতে শুরু করেছে। এই মহাসমাবেশে জামাতের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আশা করছে ১০ লাখ কর্মী সমাগম হবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ