জানা গেছে, মার্কিন বি-টু স্পিরিট নামের গোপন যুদ্ধবিমান গত ২১ জুন ইসরায়েলের বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে অতর্কিত হামলা চালায়৷ ফোর্দো, নাতাঞ্জ আর ইসফাহানে বাঙ্কার বিধ্বংসী বিশাল আকারের বোমা ফেলা হয় ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ এর আওতায়৷
আঠারো ঘণ্টার গোপন অভিযান শেষে সাতটি বি-টু যুদ্ধবিমান মিসৌরিতে ফিরে আসে এবং পেন্টাগন অভিযানকে ‘অসাধারণ সামরিক সাফল্য’ আখ্যা দেয়৷ জবাবে ২৩ জুন কাতারে মার্কিন বিমান ঘাঁটি আল উদেইদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান৷
মার্কিন হামলার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিভিন্ন নাটকীয় ভিডিওতে ভরে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া৷ সেসব ভিডিও হামলার বলে দাবি করা হয়েছে৷ তবে ডয়চে ভেলের অনুসন্ধানে দেখা গেছে সেসব ভিডিও ডিজিটালি তৈরি বা অন্য কোনো ঘটনার পুরনো ভিডিও৷

‘ইরানে আঘাত হানলো মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র’ শিরোনামে এক টিকটক ব্যবহারকারীর পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে এক শহরের কাছে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে৷ আকাশ ভরে গেছে মাশরুমের আকারের ধোঁয়ারকুন্ডলীতে৷ ভিডিওটির বিভিন্ন সংস্করণ এক্স এবং ইউটিউবেও প্রকাশিত হয়েছে৷ বিভিন্ন ভাষায় ভিডিওটি কোটি কোটি মানুষ দেখেছেন৷ তবে এআই-এর তৈরি ভাইরাল ভিডিওর সঙ্গে মার্কিন হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।
ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে বানানো এবং ইরানে মার্কিন হামলার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই৷
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতকে মার্কিন হামলার ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে, ইরানে একটি পারমাণবিক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলার পর এভাবে ধোঁয়া ছড়াচ্ছে।
অন্যদিকে টিকটক এবং ইউটিউবে সোমবার সকালে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কিন বি-টু গোপন বিমান ইরানে ভূপাতিত হয়েছে। টিকটকের একটি অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি ৭০ হাজারের বেশিবার প্রদর্শিত হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ এবং দাবিটি ভুয়া। পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে সাতটি বি-টু বিমানই নিরাপদে ফিরে এসেছে। বিবিসি, সিবিএস, এপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সেগুলোর ফিরে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশ করেছে।







