সরকারি অনুমোদন সম্পন্নের আগেই গাছ কাটার অভিযোগ, ফরিদপুর থানার ওসির ব্যাখ্যা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
সরকারি অনুমোদন সম্পন্নের আগেই গাছ কাটার অভিযোগ, ফরিদপুর থানার ওসির ব্যাখ্যা

এনামুল হক, ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি:

দৈনিক বাংলাদেশের ভোর।

পাবনার ফরিদপুর থানার প্রধান ফটকের পাশ থেকে দুটি মেহগনি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফয়েজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুলাই ফরিদপুর থানার প্রবেশপথের প্রধান ফটকের পাশের দুটি মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাছ লিখিত অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে অপসারণ করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর থানার ওসি মো. ফয়েজ উদ্দিন বলেন, “গাছ দুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মৌখিকভাবে আলোচনা করা হয়। ফরিদপুরের বন কর্মকর্তা সরেজমিনে পরিদর্শন করে মৌখিকভাবে গাছ অপসারণের অনুমতি দিয়েছেন। লিখিত অনুমতির জন্য আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে কাটা গাছ সরকারি বিধি অনুযায়ী টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।”
ফরিদপুর বন কর্মকর্তা মো. মর্তুজা বলেন, “গাছ দুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অপসারণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” লিখিত অনুমোদনের আগে গাছ অপসারণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণের ক্ষেত্রে এ-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা (প্রজ্ঞাপন) রয়েছে, যার আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত, যাতে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও আইনানুগ প্রক্রিয়া বজায় থাকে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ